স.ম. আসাদুজ্জামান
অধ্যক্ষ(ভারপ্রাপ্ত)
+৮৮০১৭৭০৩৫১৫৫৫
s.masaduzzaman345@gmail.com
জ্ঞান ও শক্তির সম্মিলনে সৃজিত শিক্ষার মধ্যেই নিহিত একটি জাতির প্রগতি ও মুক্তি। মানবতা, শান্তি ও উন্নয়নে শিক্ষা আপোসহীন ও অবিচ্ছেদ্য। সৎ, নির্ভীক ও নিষ্ঠাবান মানুষ তৈরির জন্য সুশিক্ষার বিকল্প নেই। শিক্ষার দুর্লভ নির্যাসে প্রতিনিয়ত পবিত্র ও পরিপূর্ণ হচ্ছে এই ধরা।
যুগোপযোগী ও আধুনিক শিক্ষার মানদন্ডকে সামনে রেখে ‘পড় তোমার প্রভুর নামে’ -এই নীতিবাক্যকে মর্মমূলে ধারণ করে ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে ‘গাহলী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
একবিংশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্রোতধারায় জাতি হিসেবে বিশ্ব আসনে আসীন হওয়ার প্রধান হাতিয়ার সুশিক্ষিত মানসম্পদ। তাই মানবসম্পদের সৃষ্টিশীল বিকাশে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকমন্ডলী কঠিন বাস্তবতার নিরিখে শিক্ষার্থী তথা নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তিগত ও আধুনিক শিক্ষায় গড়ে তোলার লক্ষ্যে তাদের সেবার ব্রত নিয়ে প্রতিনিয়ত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ।
অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সার্বজনীন শিক্ষানীতির আলোকে, স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে নিবিড় পরিচর্যা ও অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও সৃজনশীলতা বিকাশে ‘গাহলী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়’ সর্বদা সচেষ্ট ও অঙ্গীকারবদ্ধ। গতানুগতিক পাঠদানের পাশাপাশি জীবনমুখী শিক্ষা, সহশিক্ষাকার্যক্রম ও বিভিন্ন ক্লাব কার্যক্রমে অংশগ্রহনের জন্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানেও উক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বদ্ধপরিকর।
মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, উন্নয়নের রূপকল্প সাংস্কৃতিক বিকাশ, প্রগতিশীল চিন্তা, শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন শান্তির মূল্যবোধকে ধারণ করে আমাদের এই স্বাপ্নিক যাত্রায় সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গুণিজনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের ঐকান্তিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সর্বাঙ্গীন উন্নতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রুপায়নে গঠনমূলক সমালোচনাসহ আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ ও সহযোগিতা আমাদের কাম্য।
বলোরাম চন্দ্র বর্মন
সভাপতি, গভর্নিং বডি
‘গাহলী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়’
,
মহাদেবপুর,নওগাঁ।।
মন্ত্রীর দফতরের আরেক কর্মকর্তা বলেন, আগে মন্ত্রণালয়ে বাণীর জন্য আবেদন ১০টির বেশি কখনো জমা হয়নি। এ সংক্রান্ত সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আবেদন করলে তিন দিনের মধ্যে তা বুঝিয়ে দেয়া হতো। বর্তমানে বাণী পেতে তিন মাস আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।